কলকাতা পুলিশের শারদ উৎসব প্রস্তুতিতে অন্তরায় করোনা আবহ
আমার বাংলা অনলাইন নিউজ ডেস্ক : করোনার আবহে থমকে কলকাতা পুলিশের শারদ উৎসবের প্রস্তুতি পর্বও। প্রতি বছর জুলাই মাসে শেষ সপ্তাহ নাগাদ পুলিশ মহলে দুর্গাপুজোর প্রস্তুতি শুরু হয়ে যায়। করোনা পরিস্থিতিতে এ বছর সম্পূর্ণ ভিন্ন অবস্থা। সূত্রের খবর, করোনা, লকডাউন, আনলক পর্ব, কনটেইনমেন্ট-সহ নানা পদক্ষেপ সামলে এখনও পুজোর প্রস্তুতি শুরু করতে পারেনি কলকাতা পুলিশ। সাধারণত প্রতি বছর জুলাই মাসে পুজো সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে আসরে নেমে পড়ে কলকাতা পুলিশ।
প্রসঙ্গত, থিম পুজোর হিড়িকে উদ্যোক্তারা পূর্বেই থিম, প্যান্ডেল, প্রতিমা ও শিল্পী নির্বাচন করে থাকেন। কলকাতা ও শহরতলির বেশিরভাগ বড় পুজোর ক্ষেত্রে প্যান্ডেল ও প্রতিমা নির্মাণের কাজ শুরু হয়ে যায় অনেক আগেই। এক্ষেত্রে বলা হয়েছে, একবার প্যান্ডেল ও প্রতিমা তৈরি হয়ে গেলে পুলিশের পক্ষ থেকে আপত্তি জানানো এবং তা পরিমার্জনের সুযোগ বড় একটা থাকে না। উল্লেখ করা যায়, বিশেষত কলকাতা শহরে দুর্গাপুজোর অনুমতি থেকে রাস্তার ছাড়, প্যান্ডেল বা প্রতিমার উচ্চতা– সবটাই হয় কলকাতা হাইকোর্টের গাইডলাইন অনুসারে। মূলত জুলাই মাস থেকেই এলাকার পুজো উদ্যোক্তাদের সঙ্গে কথা বলে তথ্য সংগ্রহ করার কাজ শুরু করে কলকাতা পুলিশ।
থিম, প্রতিমার উচ্চতা, উপকরণ ও কত উচ্চতার প্যান্ডেল ও তার উপকরণ, এছাড়া প্যান্ডেলে প্রবেশ ও প্রস্থানের পথ কতটা প্রশস্ত, সবই অগ্রিম জানা হয়ে যেত পুলিশের কর্তা-ব্যক্তিদের। এমনকী এই সব তথ্য রিপোর্ট পৌঁছে যেত থানার ওসিদের কাছে। আবার কলকাতা পুলিশের ৯টি ডিভিশন থেকে রিপোর্ট পাঠানো হত লালবাজারে যুগ্ম কমিশনার (সদর)-এর কাছে। ওই রিপোর্টের উপর ভিত্তি করেই লালবাজার শারদ উৎসবের দিনগুলিতে কলকাতা শহরে যান নিয়ন্ত্রণ ও ক্রাউড ম্যানেজমেন্ট-এর পরিকল্পনা গ্রহণ করে থাকে। প্যান্ডেলে পুলিশ মোতায়েন করার বিষয়টিও এভাবে হয়ে থাকে। এবার সেই প্রক্রিয়ায় অন্তরায় হয়ে দাঁড়িয়েছে করোনা আবহ।

